সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বম্ভরপুরে ৭ দোকান পুড়ে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

  • আপলোড সময় : ০৩-১০-২০২৪ ০১:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-১০-২০২৪ ০৯:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন
বিশ্বম্ভরপুরে ৭ দোকান পুড়ে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি
পস্টাফ রিপোর্টার :: বিশ্বম্ভরপুরে ৭টি দোকানঘর আগুনে পুড়ে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। আর পাশের দুটি দোকানের মালামাল সরাতে গিয়ে আরও লক্ষাধিক টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার ব্যবসায়ীরা। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের পলাশ বাজারের কাপড়পট্টিতে ঘটনাটি ঘটে। অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- শাহ নেওয়াজ, গিয়াস উদ্দিনের দুটি কাপড়ের দোকান ও মোহাম্মদ শাহ আলম (আকাশ জুয়েলার্স), অমর বাবু (আপন স্বর্ণ শিল্পালয়), মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী (জাহিদুল স্বর্ণ শিল্পালয়)। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাপড় ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া ও আবু হানিফের দোকান। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে হঠাৎ করেই পলাশ বাজারের কাপড়পট্টির শাহ নেওয়াজ শাড়ি-কাপড়ের দোকান ও গিয়াস উদ্দিনের শাড়ি-কাপড়ের দোকানে ধোয়া দেখে বাজারের সবাই এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। পাশাপাশি বিশ্বম্ভরপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারাও দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ৫টি দোকান স¤পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। শাহ নেওয়াজ ও গিয়াস উদ্দিনের দোকানের পাশে ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া ও আবু হানিফ জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত এসে আমার দোকানের মালামাল লোকজনকে নিয়ে সরানোর চেষ্টা করে রক্ষা পেয়েছি। সময় মতো ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা না আসলে আমার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যেতো। এরপরও আমার লক্ষাধিক টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন জানান, আমার সব শেষ, একবারেই পথে বসে গেছি। ধারদেনা, এনজিও লোন ও জমি জমা বিক্রি করে এই কাপড়ের দোকান দিয়েছিলাম চোখের সামনেই সব শেষ হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত শাহ নেওয়াজ জানান, পলাশ বাজার মসজিদের টাকাও ছিল দোকানেই। সব টাকা ও কাপড় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া ৫ টি দোকানগুলোসহ আমার দোকানও শেষ। কি করব বুঝতে পারছি না। ক্ষতিগ্রস্ত স্বর্ণের দোকান মালিক মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, এক মাসও হল না দোকান দিলাম। এর মধ্যেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দোকানের সব মালামাল। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে ফায়ার সার্ভিস আগুন লাগার কারণ জানতে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্তদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ